বসা, ওঠা, শোয়া, দাঁড়ানো বা নড়াচড়ার প্রতিটি মুহূর্তই নিয়ন্ত্রিত হয় জয়েন্ট বা গাঁটের মাধ্যমে । গাঁট ভালো থাকলে দৌড়ানো, হাঁটা সবকিছুতেই সুবিধা হয়। গাঁট ভালো রাখার কিছু উপায় জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট টপটেন হেলথ রেমেডি:
- ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা
গাঁট ভালো রাখতে ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখা জরুরি । ওজন বেশি থাকলে গাঁটের সমস্যা বাড়তে থাকে । তাই গাঁট ভালো রাখতে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও ব্যায়ামের মাধ্যমে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন ।
- ব্যায়াম করুন
গাঁট ভালো রাখার জন্য ব্যায়াম জরুরি । হাঁটা, সাঁতার কাটা, সাইকেল চালানো এগুলো গাঁট ভালো রাখবে । তবে ব্যায়ামের আগে শরীরকে ওয়ার্মআপ করে নেবেন ।
- সঠিক অঙ্গবিন্যাস
গাঁট ভালো রাখতে অঙ্গবিন্যাস জরুরি । শোয়া , বসা, দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে সঠিক অঙ্গবিন্যাসে থাকার চেষ্টা করুন । ভুল অঙ্গবিন্যাসের কারনে ঘাড়, পেশি, পিঠ, পায়ের গাঁটে আড়ষ্টভাব হয় । এতে একসময় গাঁটে ব্যথা হওযার আশস্কা থাকে ।
- ক্যালসিয়ামজাতীয় খাবার খান
গাঁট ও হাড় ভালো রাখতে ক্যালসিয়ামজাতীয় খাবার খান । দুধ, ব্রকোলি ইত্যাদি খান । এছাড়া ভিটামিন-সি ও ভিটামিন-ডি জাতীয় কাবার খান ।
- সঠিক জুতা পরুন
জুতা পরেই কিন্তু দিনের বেশিরভাগ সময় কাটাই আমরা । তাই এমন জুতা পরুন, যেটি পা ও গাঁটের জন্য ভালো । জুতা যদি স্বস্তিদায়ক না হয় তখন পা, পাতা, পৃষ্ঠদেশ ও পিঠের গাঁটগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হবে তাই এমন জুতা নির্বাচন করুন যেটি পায়ের জন্য আরামদায়ক ।



.jpg)
.jpg)

.jpg)






