×

রাতে খাবার দেরি করে খেয়ে নিজেই বাড়াচ্ছেন ক্যান্সারের ঝুঁকি!

সংবাদ প্রতিনিধি ০১:৫৭ মিঃ, অক্টোবর ৯, ২০১৮ Views : 1169

আমাদের অনেকেরই রাতে দেরি করে ঘুমোতে যাওয়ার অভ্যাস রয়েছে। রাত দশটা এগারোটার আগে রাতের খাবারের কথা ভাবতেই পারেনা অনেকে। আবার এগারোটার পরে খাবার গ্রহন করা লোকের সংখ্যাও কম নয়। কিন্তু আমরা জানিনা যে নিয়মিত এ অভ্যাসটি কত বড় বিপদ ডেকে আনছে আমাদের অজান্তেই।স্বাস্থ্যবিশারদদের মতে যারা ঘুমোতে যাওয়ার অন্তত দু ঘণ্টা আগে নৈশভোজ সারেন তাঁরা ব্রেস্ট ও প্রস্টেট ক্যান্সারের ছোবল থেকে নিরাপদেই থাকেন। তুলনামূলক ভাবে শহরে লোকের মাঝে এ অভ্যাসটির প্রচলন বেশি। সাধারনত কাজ থেকে ঘরে ফিরতেই অনেকেররাত আটটা নয়টা বেজে যায়। পরিবার কে সময় দেয়া বা অন্যান্য বিষয়ে কম বেশি সবারই রাতের খাবার গ্রহনের সময়টা পিছিয়ে যায়। গ্রামাঞ্চলের বিষয়টা ভিন্ন। টেলিভিশন দেখলেও খাবারের সময়টা এখনওনয়টার আগেই

তাই গ্রামবাসীর মধ্যে এখনও তুলনামূলক নিরাপদে আছেন প্রস্টেট ক্যান্সার ও ব্রেস্ট ক্যান্সারের মতো মরন ব্যাধি ।এমনিতেই কর্কট রোগ গোটা বিশ্বজুড়ে আতঙ্কের আবহ তৈরি করে রেখেছে।

রোগের শুরুতে ধরা পড়লেও চিকিৎসকদের প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন অনেকে। ভাগ্যবানরা লড়াই করে নতুন জীবন ফিরে পান। তবে সেই সব ভাগ্যবানদের সংখ্যাটাও উল্লেখযোগ্যভাবে কম।

তাই ক্যান্সার রুখতে রোগের প্রবনতাকেই রুখে দিতে চাইছেন চিকিৎসকরা। গবেষণা রিপোর্ট অনুযায়ী প্রতিদিন প্রস্টেট ক্যান্সার ও ব্রেস্ট ক্যান্সারের সংখ্যা বাড়ছে হু হু করে।

এই ভয়াবহতা রুখতেই নারী ও পুরুষের উপরে একটি সমীক্ষা চালানো হয়েছিল। সেই সমীক্ষা রিপোর্টেই দেখা গিয়েছে ৮৭২জন পুরুষের মধ্যে ৬২১ জন প্রস্টেট ক্যান্সারে আক্রান্ত।

একইভাবে ১,৩২১ জন মহিলার মধ্যে ১,২০৫ জন মহিলা ব্রেস্ট ক্যান্সারে আক্রান্ত।

একইভাবে ১,৩২১ জন মহিলার মধ্যে ১,২০৫ জন মহিলা ব্রেস্ট ক্যান্সারে আক্রান্ত।

আক্রান্ত পুরুষ-মহিলার দৈনন্দিন খাদ্যাভাসের মূল্যায়ন করে দেখা গিয়েছে, তাঁদের বেশির ভাগের খাবার সময়ের কোনও সামঞ্জস্য নেই। নৈশভোজের সময় আসতে আসতে প্রায় মধ্যরাত হয়ে যায়।

অনেকে কর্পোরেট সেক্টর ও বেসরকারি সংস্থায় কাজ করার জন্য রাতের শিফটে অফিসে থাকেন। তাঁরা সাধারণত রাত করেই খাওয়াদাওয়া সারেন। কিন্তু রাত ন’টার আগে যারা খেয়ে নেন তাঁরাই এক্ষেত্রে নিরাপদ জোনে রয়েছেন।

বাকিদের উপর থেকে কিন্তু কর্কট রোগের ভ্রুকুটি এখনই যাচ্ছে না। তাই রাতে যতক্ষণই কাজ করুন না কেন ন’টার আগে নৈশভোজ সারার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।