- উপযুক্ত ব্যায়াম যেমন নিয়মিত হাঁটা, জগিং, সিঁড়ি দিয়ে ওঠা-নামা করা এবং ওজন বহন করা।
- কিশোর বয়সে কায়িক পরিশ্রম করলে হাড়ের ঘনত্ব বেড়ে যায় এবং হাড় দৃঢ় হয়। ফলে বৃদ্ধ বয়সে হাড় ক্ষয় কম হয়।
- দৈনিক সুষম খাদ্যের পাশাপাশি কিশোর বয়সে ১৩০০ মিলিগ্রাম, ৫০ বছর পর্যন্ত ১০০০ মিলিগ্রাম এবং বছরের ঊর্ধ্বে ১২০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়ামের সেবন করা উচিত।
- ধমপান ও মদ্যপান থেকে বিরত থাকা।
- হাড়ের পরিমাণ হ্রাস, দুর্বল ও ভঙ্গুরতা প্রতিরোধ বা চিকিৎসায় চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং ওষুধ সেবন করা।
- পড়ে যাওয়া থেকে সর্তক থাকতে হবে।
চিকিৎসা
চিকিৎসা নির্ভর করে হাড়ের পরিমাণ হ্রাস হাড়ের দুর্বলতা, ভঙ্গুরতা ও হাড়ের ভাঙ্গার ওপর । এজন্য যা করা দরকার তা হলো:
- নিয়মিত ব্যায়াম করা।
- দৈনিক পরিমিত ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন – ডি সেবন করা।
- বিসফসোফনেট: এলেনড্রোনেট, ইটিড্রোনেট ও রাইসড্রোনেট সেবন।
- হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি।
- ক্যালসিটোনিন ইনজেকশন।
- হাড় ভাঙ্গার জন্য কনজারভেটিভ বা সার্জিক্যাল চিকিৎসার প্রয়োজন হয়।
- ব্যথা নিরাময়ের জন্য এনালজেসিক ওষুধ সেবন করতে হবে।



.jpg)
.jpg)

.jpg)





