×

অস্থিসন্ধি

সংবাদ প্রতিনিধি ০৪:৩৩ মিঃ, মে ৫, ২০১৯ Views : 1320

দুই বা ততোদিক হাড়ের সংযোগকেই অস্থিসন্ধি বলে। অস্থিসন্ধি নানা রকম হতে পারে। কিছু সন্ধিতে সংযুক্ত হাড় বারবার নাড়াচাড়া করতে সক্ষম। যেমন: উরুসন্ধি। আবার কিছু সন্ধি এমন যে এতে সংযুক্ত হাড় সম্পূর্ণ স্থির থাকে এবং কোন নড়ন সম্ভব হয় না। যেমন: আমাদের করোটির সন্ধি। 

অস্থিসন্ধির স্থিতি নিয়ন্ত্রক উপাদানসমূহ

•          হাড়ের তুলনামূকল অবস্থান

•          চারপাশের মাংসপেশীর অবস্থান

•          লিগামেন্ট

•          সাইনোভিয়াল তরলের আনবিক আকর্ষণ শক্তি 

•          বায়ুর চাপ।

প্রধানত অস্থিসন্ধিকে ৩ ভাগে ভাগ করা যায় যথা:- 

•          সাইনোভিয়াল সন্ধি 

•          ফাইব্রাস সন্ধি

•          কার্টিলেজিনিয়াস সন্ধি

সানোভিয়াল সন্ধিতে সবচেয়ে বেশি নড়ন সম্ভব। এটি নানা রকম হতে পারে। সানোভিয়াল সন্ধিতে হাড়ের প্রান্ত সাইনোভিয়াল মেমব্রেন নামক একটি পর্দা দ্বারা আবৃত থাকে। এর মধ্যে জলীয় অংশ থাকে। একে সাইনোভিয়াল ফ্লুইড বলে। এ সন্ধিতে হাড়ের দুই প্রান্ত হায়ালিন তরুণাস্থি দ্বারা আবৃত থাকে। তরুণাস্থি,সাইনোভিয়াল পর্দা ও সাইনোভিয়াল ফ্লুইডের জন্য সুষমভাবে নড়াচড়া সম্ভব হয়। কোন কারণে এগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হলে নড়াচড়া বাধাগ্রস্ত হয়। অস্থিসন্ধি প্রদাহকে আর্থ্রাইটিস বলে। এতে সন্ধি ফুলে যায়, ব্যথা হয়, নড়াচড়া কষ্ট হয়। সন্ধিতে দীর্ঘমেয়াদী নানা রোগ হতে পারে যা ধীরে ধীরে সন্ধিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। ক্রমান্বয়ে সন্ধির আকার পরিবর্তিত হয়ে বিকৃতি দেখা দিতে পারে। যেমন –রিউমাটয়েড আর্থাইটিস। এ রোগ সন্ধিতে প্রদাহ তৈরি করে যা সাইনোভিয়াল ঝিল্লীকে ক্ষতি করে।এছাড়া সন্ধিতে জীবাণু সংক্রমণও হতে পারে। একে সেপটিক আর্থ্রাইটিস বলে। এ রোগে সাইনোভিয়াল ফ্লুইড জীবাণু প্রবেশ করে এবং প্রদাহ সৃষ্টি করে।প্রধানত অস্থিসন্ধিকে ৩ ভাগে ভাগ করা যায় যথা:-

•             সাইনোভিয়াল সন্ধি

•             ফাইব্রাস সন্ধি

•             কার্টিলেজিনিয়াস সন্ধি

সানোভিয়াল সন্ধিতে সবচেয়ে বেশি নড়ন সম্ভব। এটি নানা রকম হতে পারে। সানোভিয়াল সন্ধিতে হাড়ের প্রান্ত সাইনোভিয়াল মেমব্রেন নামক একটি পর্দা দ্বারা আবৃত থাকে। এর মধ্যে জলীয় অংশ থাকে। একে সাইনোভিয়াল ফ্লুইড বলে। এ সন্ধিতে হাড়ের দুই প্রান্ত হায়ালিন তরুণাস্থি দ্বারা আবৃত থাকে। তরুণাস্থি,সাইনোভিয়াল পর্দা ও সাইনোভিয়াল ফ্লুইডের জন্য সুষমভাবে নড়াচড়া সম্ভব হয়। কোন কারণে এগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হলে নড়াচড়া বাধাগ্রস্ত হয়। অস্থিসন্ধি প্রদাহকে আর্থ্রাইটিস বলে। এতে সন্ধি ফুলে যায়, ব্যথা হয়, নড়াচড়া কষ্ট হয়। সন্ধিতে দীর্ঘমেয়াদী নানা রোগ হতে পারে যা ধীরে ধীরে সন্ধিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। ক্রমান্বয়ে সন্ধির আকার পরিবর্তিত হয়ে বিকৃতি দেখা দিতে পারে। যেমন –রিউমাটয়েড আর্থাইটিস। এ রোগ সন্ধিতে প্রদাহ তৈরি করে যা সাইনোভিয়াল ঝিল্লীকে ক্ষতি করে।এছাড়া সন্ধিতে জীবাণু সংক্রমণও হতে পারে। একে সেপটিক আর্থ্রাইটিস বলে। এ রোগে সাইনোভিয়াল ফ্লুইড জীবাণু প্রবেশ করে এবং প্রদাহ সৃষ্টি করে।