×

ডিসেম্বর ২০১৮

আইভি খান ওয়াহিদ ০২:২৭ মিঃ, জুলাই ১৫, ২০২১ Views : 1127

‘আমার স্বাস্থ্য’ স্বাস্থ্যপরিচর্যা বিষয়ক ম্যাগাজিনের সম্মানিত পাঠক, লেখক, কলাকুশলী ও শুভ্যানুধ্যায়ীদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা।

‘আমার স্বাস্থ্য’ ম্যাগাজিনের তৃতীয় সংখ্যা পাঠকদের হাতে পৌছে দিতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।

উন্নত বিশ্বে হৃদরোগ মৃত্যুর প্রথম ৩টি কারণের মধ্যে অন্যতম। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রতি বছর অসংখ্য মানুষ মৃত্যুমুখে পতিত হয়। আমাদের দেশেও হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর হার অত্যন্ত বেশী। সবচেয়ে চিন্তার বিষয় হলো হৃদরোগ কোন লক্ষণ ছাড়াই হঠাৎ বিপর্যয় হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে।

সুষম খাদ্যাভ্যাস, জীবন যাপনের যথাযথ পদ্ধতি এবং পর্যাপ্ত কায়িক পরিশ্রমের মাধ্যমে হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকাংশে হ্রাস করা যায়। আধুনিক জীবনযাত্রার রীতি, শারীরিক শ্রমের অনীহা এবং সর্বোপরি মানসিক ও শারীরিক চাপ, দুশ্চিন্তা প্রভৃতি হৃদরোগের ক্ষেত্রে প্রভাবক হিসেবে কাজ করে। এ কারণেই জীবনযাত্রার অগ্রগতির পাশাপাশি হৃদরোগের হারও বেড়ে লছে।

সাঁতার কাটা অত্যন্ত ভালো ব্যায়াম। তাছাড়া সাইকেল চালানোও হৃদযন্ত্রের জন্য ভালো। প্রতিদিন অন্ততঃ ৩০ মিনিট দ্রুত হাটা হৃৎপিন্ডের জন্য ভালো। কিন্তু যারা ইতোমধ্যে হৃদযন্ত্রের ব্যাধিতে আক্রান্ত তাদের অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী শারীরিক শ্রম বা ব্যায়াম করা উি ত।

ধূমপান হৃদরোগের অন্যতম প্রধান নিয়ামক। সুতরাং, হৃৎপিন্ডকে সুস্থ রাখতে ধূমপান ত্যাগ করার বিকল্প নেই। মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা, মানসিক অবসাদ বা বিষন্নতা হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে।

আপনাদের সবার হৃদয় ভালো থাকুক- এ প্রত্যাশা করছি।

এই শীতে আপনাদের সবার জন্য রইলো উষ্ণ ও আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। 

সবাইকে ইংরেজী নববর্ষের শুভেচ্ছা।