বয়স্ক মানুষের করোনা আক্রান্ত হওয়ার আশম্কা বেশি। তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকায় সহজেই আক্রান্ত হতে পারে। এছাড়া দিনের পর দিন ঘরে থাকার কারনে তাদের মধ্যে মানসিক চাপ তৈরি হয়। তাই লকডাউনে বয়স্কদের জন্য সচেতনতা প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি।
যে সব বিষয়ে খেয়াল রাখবেন
- বেশির ভাগ সময়েই সময়মতো ওষুধ খেতে ভুলে যান বয়স্ক ব্যক্তিরা। খেয়ালণ করুন তিনি ঠিক সময়মতো ওষুধ খাচ্ছেন কি না। প্রয়োজনে ওষুধের ডোজ বাড়া-কমা নিয়ে চিকিৎসকের সংঙ্গে কথা বলুন। অতি প্রয়োজনে তার চিকিৎসকের সংঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করে নিন।
- হাড়ের সমস্যা না থাকলে বা চিকিৎসকের নিষেধ না থাকলে বয়স্ক ব্যক্তিরা ছাদে হাটাঁহাঁটি বা ফ্রি হ্যান্ড বেয়াম করতে পারেন। শরীর ও অসুখ বুঝে কিছু বেয়াম চিকিৎসায় সহায়তা করে। তাই সে সব ব্যায়াম নিয়মিত করে যেতে হবে।
- পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের মতো বয়স্ক ব্যক্তিটিও ঘন ঘন হাত ধোয়া ও স্যানিটাইজার দিয়ে হাত পরিস্কারের বিসয়টি নিশ্নিত করুন।
- ভিটামিন ডি এর জন্য সূর্যের আলো জরুরি। অবশ্যই দিনের বেলা ঘরের জানালা খোলা রাখুন। ছাদে হাটতে গেলেও বয়স্কদের মাস্ক পরিয়ে দিন।
- অতিরিক্ত গরম বা অতিরিক্ত ঠান্ডা কোনটাই বয়স্কদের জন্য ভালো না। তাই সেদিকে খেয়াল রাখুন।
- বয়স্কদের খাবার রান্নায় আদা, দারচিনি, হলুদের মতো মসলা যেগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমানে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে সেসব ব্যবহার করুন। আদা, গোলমরিচ, দারচিনি, লবঙ্গ, কাঁচা হলুদ ফুটিয়ে পানীয় তৈরি করে এবং লেমন টি খওয়াতে পারেন।
- বয়স্ক ব্যাক্তি জটিল কোন অসুখে আক্রান্ত থাকলে টিকিৎসকের সংঙ্গে যেকোনো পরামর্শের জন্য সব সময় যোগাযোগ রাখুন।
- যতটুকু সম্ভর বয়স্ক মানুষটিকেও সময় দিন। তাকেও সংসারের কিছু কাজের দায়িত্ব দিতে পারেন। এতে তারও সময় কাটবে ও তিনি ব্যাস্ত থাকবেন।




.jpg)

.jpg)






