করোনাভাইরাস থেকে মুক্তির এখনই কোন উপায় দেখছেন না বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিওএইচও)। সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রোস আধানম গেবরিয়াসুস জানান, এখনই লকডাউন ছেড়ে দেয়া কোনো দেশেরই পক্ষে উচিত নয়। কারন বিপদ এখনও কাটেনি।
করোনার কোনো প্রতিষেধক বা ওষুধ এখনও পর্যন্ত আবিস্কার হয়নি। তাই সংক্রমন রোধে এক মাত্র উপায় হচ্ছে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা ও সতর্ক থাকা।
এদিকে করোনা থেকে সুস্থ্য হয়ে ওঠা রোগীর রক্ত রস প্লাজমাকে কাজে লাগিয়ে এই ভাইরাস আক্রান্তদের সারিয়ে তোলার চেষ্টা চালাচ্ছেন বিশ্বের একাধিক দেশের অসংখ্য চিকিৎসক ও গবেষক।
এই চিকিৎসা পদ্ধতিকে প্লাজমা থেরাপি বলেছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে করোনার এই চিকিৎসা পদ্ধতির ওপর এখনই নির্ভরশীল হওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক করেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ।
তারা বলেছে, এখনই এ বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাবে না।
ডব্লিওএইচও বলছে, এই চিকিৎসায় রোগী ভালো হলেই শরীরে করোনার অ্যান্টিবডি তৈরি হয়ে গেছে, এমন প্রতক্ষ্য প্রমান এখনও মেলেনি। তাই চিকিৎসার ওপর নির্ভরশীল হওয়া যাচ্ছে না।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এই মতামতের সমর্থন জানিয়েছেন মোহালির ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চের অধ্যাপক ও ভাইরাস বিশেষজ্ঞ ড. ইন্দ্রনিল বন্দ্যোপাধ্যায়।
তিনি বলেন, কোনো ব্যাক্তি করোনা থেকে সুস্থ্য হয়ে উঠলে তিনি আর এই ভাইরাসে আক্রান্ত হবেন না, তা একেবারেই নয়। আর্জেন্টিনা, ইতালি-এমনকি ভারতে একই ব্যাক্তি দুবার করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।
ড. বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ১৪ দিন বা ২০ দিন নয়, মানুষের শরীরে এই ভাইরাস ৩৭ দিন পর্যন্ত সক্রিয় থাকতে পারে।
সম্প্রতি ফ্রান্সের বিজ্ঞানীরা একটি গবেষনায় এমনই প্রমান পেয়েছেন। ফলে এই সময়ের মধ্যে কোন ব্যাক্তি একবার সেরে ওঠার পর কোনো রকম অসতর্কতায় বা দুর্বল শরীরের কারণে ফের করোনায় আক্রান্ত হতে পারে।




.jpg)

.jpg)






