সাধারণত মেনোপজের পর নারীদের হরমোনের পরিবর্তনের ফলে হাড়ের পুরত্ব কমে যাওয়ায় হাড় ক্ষয় হতে দেখা যায়। একটু আঘাতে বা আপনা আপনিই হাড় ভেঙ্গে যায়। একেই বলে অস্টিওপোরোসিস। শুধু বয়োবৃদ্ধ মহিলাদেরই নয় এরোগ পুরুষেরও হতে পারে। প্রতিবছর শুধু অস্টিওপোরোসিসের জন্যই ২০ লাখ মানুষের ফ্রাকচার হয় বা হাড় ভেঙে যায়। আর এতে খরচ হয় প্রায় ৩০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি। বৃদ্ধ বয়সে এ রোগ বেশি হয় বলে তাদের দেখাশোনা করার মতো কেউ না থাকায় তাদের সমস্যার অন্ত থাকে না। অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে কিছু বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি।
- ব্যায়াম করুন
নিয়মিত ব্যায়াম করার অভ্যাস গড়ে তুলুন। ব্যায়ামের ফলে অস্থি ও মাংশপেশী শক্তিশালী হয়ে হাড়ক্ষয় রোধ হয়।কমপক্ষে সপ্তাহে তিন থেকে চারদিন ব্যায়ামের মাধ্যমে অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ করা সম্ভব। হাঁটা সবচেয়ে ভালো ব্যায়াম। সপ্তাহে প্রায় ৩-৫ মাইল হাঁটুন। এছাড়া জগিং, টেনিস খেলা বা নৃত্য করতে পারেন। তাই বলে ভারী ব্যায়াম করা ঠিক হবে না। কারণ, এতে করে যাদের এরই মধ্যে হাড়ের ঘনত্ব কমে গেছে তাদের হাড় ভেঙে যেতে পারে।
- ক্যালসিয়াম গ্রহণ করুন
ক্যালসিয়াম হাড়কে শক্তিশালী করে। গবেষণায় দেখা গেছে, অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ করার জন্য একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের প্রতিদিন ১০০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম দরকার। কিন্তু মেনোপোজ হওয়া মহিলাদের অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকি বেশি বলে তাদের প্রতিদিন ১৫০০ মিলিগ্রাম করে ক্যালসিয়াম খাওয়া দরকার। আর ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণে ক্যালসিয়ামবৃদ্ধ খাবারের ভূমিকা অনেক বেশি।এজন্য ক্যালসিয়ামবৃদ্ধ খাবার যেমন, দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার, পনির, ছোট গুঁড়ামাছ, শিম, পুঁইশাক,ব্রকোলি খেতে হবে বেশি করে। এছাড়া ক্যালসিয়াম ট্যাবলেটের মাধ্যমে এ চাহিদা পূরন করা যায় । বর্মানে বাজারে অনেক ভালো ভালো ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট আছে । এক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্ মতো
ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট সেবন করতে হবে । তবে বেশি পরিমানে ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট খাওয়া ঠিক হবে না । এতে কিডনিতে পাথর হতে পারে । ট্যাবলেট খাওয়ার পর বেশি করে পানি পান করতে হবে ।
- ভিটামিন-ডি
অন্ত্র থেকে ক্যালসিয়াম পরিশোষণের জন্য ভিটামিন ডি দরকার । ২০ মিনিট সূর্র আলোতে থাকলে আমাদের প্রতিদিনের ভিটামিন ডি-এর চাহিদা পূরন হয় । ৫১-৭০ বছরের কারোর জন্য প্রতিদিন ডি-এর চাহিদা পূরনে ডিম, কলিজা, ছোটমাছ ও শাকসবজি বেশি করে খেতে হবে ।
- ওষুধ থেকে সাবধান
অনেকেই সামান্য অসুখেই চিকিৎসকের পরামর্ ছাড়া ওষুধ সেবন করে থাকেন । এটা একবারেই ঠিক নয় । এসব ওষুধ সেবনে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে । স্টেরয়েড, খিঁচুনি, প্রতিরোধে এন্টি কনভালসেন্ট, রক্তের অসুখে এন্টি কোয়াগুলেন্ট ও থাইরয়েড রোগের চিকিৎসায় ব্যাবর্ত ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্ মতো ব্যবহার না করলে হাড় ক্ষয় হয়ে যেতে পারে । দেখা দিতে পারে অস্টিওপোরোসিস । তাই এধনের ওষুধ গ্যহনের সময় হারের ক্ষয় রোধ করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপগুলো আপনার চিকিৎসকের কাছ থেকে ভালো করে জেনে নিন ।
- ত্যাগ করুন ধূমপান ও মদ্যপান
ধূমপান, মদ্যপান ও কফিজাতীয় পানীয় হাড় ক্ষয় করে, হাড়কে ভঙ্গুরও করে তোলে। দেখা দেয় অস্টিওপোরোসিস। তাই অস্টিওপোরোসিস থেকে বাঁচতে হলে এগুলো



.jpg)
.jpg)

.jpg)





