লকডাউনের কারনে ঘরবন্দি হয়ে পড়েছেন ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীরা। নিয়মিত কেমোথেরাপি,রেডিয়েশন চলছে এমন রোগী পড়েছেন বিপাকে। ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীদের এসময় হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নেয়া উচিত কিনা তা নিয়েও চিন্তায় পড়েছেন তাদের স্বজনরা।
কারণ এখন হাসপাতালে যাওয়া কঠিন। অন্যদিকে হাসপাতালে গিয়ে করোনা সংক্রমনের আশম্কা উড়িয়ে দেয়ার মতো নয়। আর ক্যান্সারের মতো ক্রনিক অসুখে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কিছুটা কমে যায় বলে করোনা সংক্রমনের ঝুঁকিও বাড়ে।
যারা ক্যান্সার চিকিৎসায় সেরে উঠবেন এবং যাদের সেরে ওঠার সম্ভাবনা কম, তাদের প্যালিয়েটিভ থেরাপি চলছে। তাদের চিকিৎসার ব্যাপারে টিউমার বোর্ড গঠন করে সেই অনুযায়ী চিকিৎসা করতে হবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নিতান্ত দরকার না পড়লে হাসপাতালে না যাওয়াই ভালো।
যেসব রোগীদের ক্যান্সার আক্রান্তের কেমোথেরাপি চলছে এবং সেরে ওঠার সম্ভবনা রয়েছে, তাদের থেরাপি নিতে হাসপাতালে যেতে হবে। তবে যদি খাওয়ার ঔষুধ দিয়ে কেমো দেয়া সম্ভব হয়, সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে সেই মতো কেমো নেয়া যেতে পারে। তখন আর হাসপালে যাওয়ার দরকার হবে না। টার্মিনাল স্টেজের ক্যান্সার আক্রান্তদের ঔষুধ ও ইনজেকশন দিয়ে বাড়িতে রাখাই ভালো। ৪-৬ সপ্তাহ পর্যন্ত ক্যান্সার রোগীদের এভাবে চিকিৎসা করা যায়।
এখন যদি কেউ নতুন করে ক্যান্সার আক্রান্ত হন, সে ক্ষেত্রে টিউমার বোর্ড সিদ্ধান্ত নেবে কিভাবে চিকিৎসা করা উচিত। তবে কেভিড-১৯ ভাইরাসের প্রকোপ কমে গেলে অস্ত্রোপাচার অথবা বোনম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্টেশনের সিদ্ধান্ত নেয়া ভালো।
ক্যান্সারের রোগীর স্বাভাবিক চিকিৎসা বন্দ না করে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে রোগীকে বিকল্প উপায়ে তার প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পৌঁছে দেয়াই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।




.jpg)

.jpg)






