অনেক সময় ধারালো কিছু বা অমসৃণ কাপড়ের সাথে ঘষা লেগে লেগে চাপড়া ছিলে যায়। চামড়া ছেলা জায়গাটি লাল হয়ে যায়, জ্বালাপোড়া করে। এটি দেহের যে কোন অংশে হতে পারে। এছাড়া টাইট কাপড় পরিধান করলেও শরীরের ভাঁজে ভাঁজে ছিলে যায়। চামড়া ছিলে যাওয়া বেশ কষ্টদায়ক। ঘরোয়া কিছু উপায় এই যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দেবেঃ-
- ঠান্ডার সেঁক দেওয়া
একটি পাতলা তোয়ালেতে কয়েক টুকরা বরফ নিন। এটি চামড়া ছিলে যাওয়ার স্থানে ৫ মিনিট চেপে ধরে রাখুন। ৫ মিনিট পর উঠিয়ে নিন আবার বরফের সেঁক দিন। এভাবে কিছুক্ষণ করুন। এটি ত্বকের জ্বালাপোড়া কমিয়ে দিবে। কিছুক্ষণ ব্যবহারে ত্বকে আবার স্বাভাবিক হয়ে যাবে।
- অ্যালোভেরা
অ্যালোভেরা পাতা থেকে জেল বের করে নিন। এবার এটি ছিলে যাওয়া স্থানে লাগান। দিনে ২-৩ বার করুন। এছাড়া ১/৪ কাপ অ্যালোভেরা জেল, ১ কাপ গ্রিন টি, এবং ১০ ফোঁটা ল্যাভেন্ডার অয়েল মিশিয়ে একটি স্প্রে বোতলে ভরে নিন। আকান্ত্র স্থানে স্প্রে করুন। এটি দিনে দুইবার করুন। এটি ত্বকে ঠান্ডাভাব দিয়ে এর প্রদাহ দূর করে দিবে। ত্বকে কোন ইনফেকশন থাকলে তাও দূর করে দিবে।
- ওটমিল এবং অলিভ অয়েল
ওটমিল এবং অলিভ অয়েল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এবার এটি আক্রান্ত স্থানে লাগান। ২০-৩০ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি ত্বকের ক্ষত দ্রুত ঠিক করে দেয়।
- হলুদ
চা চামচ হলুদগুঁড়ো পানি দিয়ে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। এই পেস্টটি চামড়া ছিলে যাওয়া স্থানে লাগান। একটি ঠান্ডা সুতির কাপড় দিয়ে স্থানটি ঢেকে রাখুন। ৩০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। দিনে ২-৩ বার করুন। হলুদের অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টিইনফ্লামেটরি উপাদান ত্বকের ইনফেকশন দূর করে দিবে।
- বেকিং সোডা
এক চামচ বেকিং সোডার সাথে তিন চামচ পানি মিশিয়ে নিন। এর সাথে ল্যাভেন্ডার অয়েল যোগ করুন। আক্রান্ত স্থানে এটি লাগিয়ে রাখুন। ৫ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। বেকিং সোডা জ্বালাপোড়া, চুলকানি এবং ব্যথা রোধ করে। সপ্তাহে একবার করুন। তবে বেকিং সোডা বেশিক্ষণ ত্বকে রাখবেন না।
এছাড়া পেট্রোলিয়াম জেলি, বেবিঅয়েল, বাদাম তেল , ভিটামিন-ই ক্রিম আক্রান্ত স্থানে লাগাতে পারেন। এইগুলোও আপানাকে আরাম দেবে।



.jpg)
.jpg)

.jpg)






