করোনাভাইরাসে সৃষ্ট মহামারি মোকাবেলায় লকডাউন চলছে বিশ্বের অনেক দেশে। এ অবস্থায় বাড়ির বাইরে যেতে না পেরে ছোট থেকে বড় সকলেরই মনের ওপর সাংঘাতিক চাপ পড়ছে। বাড়ছে ডিপ্রেশন”র মতো সাংঘাতিক মানসিক সমস্যা। এমনটাই জানিয়েছেন মনোবিদরা। তবে পাশাপাশি তাঁরা এটাও জানিয়েছেন, এই ঘরবন্দি দশার সব থেকে খারাপ প্রভাব পড়ছে শিশু মনের ওপর। তাই এই লকডাউনের আবহে শিশুদের অতিরিক্ত শাসন বা বকাঝকা করা একেবারেই উচিত নয়, এমনটাই মত বিশেষজ্ঞ মহলের।
বিশেষজ্ঞদের দাবি, আমাদের কোনও কিছুই একভাবে বেশিদিন ভালো লাগে না। যেমন একভাবে বেশিদিন ভালো লাগে না, ঠিক তেমনই অতিরিক্ত ছুটিও আমাদের না পছন্দ। এই মূহুর্তে ঘর বন্দিদশায় অতিরিক্ত ছুটি উপভোগ করতে করতে আমরা সকলেই ক্লান্ত। এক্ষেত্রে শিশুদের অবস্থা সবথেকে খারাপ। কারণ তারা না পাচ্ছে এই পরিস্থিতিতে নিজেদের মানিয়ে নিতে, না নিজেদের স্বাভাবিক জীবন উপভোগ করতে।
এমতাবস্থায় যদি তাদের অতিরিক্ত শাসন করা হয় কিংবা পড়াশোনার অতিরিক্ত বোঝা তাদের উপর চাপিয়ে দেওয়া হয় তাহলে তার সরাসরি প্রভাব পড়বে তাদের মনের উপর। এক্ষেত্রে তাদের মধ্যে ডিপ্রেশনের মতো সাংঘাতিক মানসিক রোগ বাসা বাধঁতে পারে। আবার পড়াশোনার জন্য বেশি জোরাজুরি করলে তারা পড়াশোনার উপর থেকেও আগ্রহ হারিয়ে ফেলতে পারে।
এক্ষেত্রে সবমসয় শাসন না করে বন্ধুর মতো তাদের সঙ্গে মেশার পরামর্শ দিচ্ছেন মনোবিদরা। এই মুহুর্তে তাদের জীবনে সবথেকে বেশি অভাব বন্ধুদের। স্কুল, কলেজ বন্ধ থাকায় বন্ধুদের সাথে দেখাশোনা, খেলা সবই বন্ধ।
আর তাই মনোবিদদের পরামর্শ, এ্ই মুহুর্তে বাবা-মাকেই সেই অভাব দূর করতে হবে। অহেতুক শাসন না করে। খেলার ছলে বন্ধুর মতো ,মিলে বর্তমান ভয়াবহ পরিস্থিতিটা তাদেরকে বোঝাতে হবে।
তবেই তারা এই স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে স্বাভাবিক জীবনের রসদ খুঁজে পাবে।




.jpg)

.jpg)






